পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ঈদ উপলক্ষে ফেরির সংখ্যা বাড়িয়ে ২১টি করা হলেও কমেনি যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। আজ শনিবার ভোর রাত থেকেই পাটুরিয়াঘাটে ব্যক্তিগত কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের চাপ বাড়তে থাকে। পাশাপাশি কাটা লাইন সার্ভিসের যাত্রীবাহী বাসেরও চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাটা লাইন সার্ভিসের গাড়িগুলো ঘাট এলাকায় যাত্রী নামিয়ে দিয়ে যায়। এসব গাড়ির শত শত যাত্রী লঞ্চ ও ফেরিতে পার হচ্ছে। ২১টি লঞ্চ চলাচল করলেও যাত্রীর চাপে লঞ্চগুলো ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে পার হচ্ছে।

ঈদযাত্রার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী শত শত যানবাহন ঘাট এলাকায় ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে। ব্যক্তিগত কার ও মাইক্রোবাসের জন্য মহাসড়কের টেপরা থেকে ৫নং ঘাট পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে। এ সড়কে ছোট গাড়ির প্রায় তিন কিলোমিটারের যানজট দেখা দিয়েছে। প্রতিটি ছোট গাড়িকে ফেরিতে উঠতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। 

এদিকে যাত্রীবাহী বাসের সংখ্যাও বেড়েছে। তবে বাস যাত্রীদের দুর্ভোগ তেমন নেই। যাত্রীবাহী বাসগুলো পার হতে ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে সর্বোচ্চ এক ঘণ্টা। ফেরি কর্মকর্তারা জানান, সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে বাস, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসের সঙ্গে টার্মিনালে আটকে থাকা কিছু কিছু ট্রাকও পার করে দেয়া হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম মো. শাহ নেওয়াজ জানান, গাড়ির চাপ আরো বেড়ে গেলে ফেরিগুলো ওপারে যানবাহন নামিয়ে দিয়ে প্রয়োজনে খালি ফেরি ওপার থেকে নিয়ে আসা হবে।

জেলা পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান জানিয়েছেন, ঘাটের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও যানবাহনের চাপ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।