গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সব দেশে সফরের বিষয়েই সরকার ইতিবাচক। তবে এটি প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি এবং দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা কত দূর এগোয়, তার ওপর নির্ভর করবে।’
প্রধানমন্ত্রী ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেবেন নাকি দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য এখনো পর্যাপ্ত সময় আছে। ব্রিকস এখনো অনেক দূরে। এক মাসে অনেক কিছুই হতে পারে।’
প্রধানমন্ত্রী নতুন সাংবিধানিক কার্যক্রমসহ গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের ভেতরে অনেক কর্মসূচি ও কার্যক্রম চলছে। সামনে বেশকিছু সাংবিধানিক বিষয়ও রয়েছে। এদিক থেকে সরকার ব্যস্ত এবং প্রধানমন্ত্রীও ব্যস্ত।’
ভারত সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হলে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘যখনই দুই দেশের নেতারা কথা বলেন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করেন, তখনই অনেক সমস্যা সমাধানের একটি সুযোগ তৈরি হয়। সে সুযোগ অবশ্যই আছে এবং তা উন্মুক্ত রয়েছে।’
শীর্ষ রাজনৈতিক পর্যায়ে সরাসরি আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও জানান তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতেরও উচিত এ সুযোগের যথাযথ ব্যবহার করা।’
ভারতে অবস্থান করে সাজাপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি, যখন একজন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ভারতের মাটিতে বসে কথা বলেন, তখন বাংলাদেশের মানুষ তা গ্রহণ করে না এবং এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখে না।’
শামা ওবায়েদ আরো বলেন, ‘জুলাইয়ের ঘটনা এখনো বাংলাদেশের মানুষের মনে তাজা। তাই জনগণের অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীল হওয়া উচিত।’










