স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের গৌরবের ইতিহাস। এখন আমাদের নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। তারপর করা হয়েছে ইতিহাস বিকৃতি। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নগুলো মুছে ফেলা হয়েছে।’
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম ব্যারিকেড তৈরির ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণ ও জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষে গতকাল রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘গণহত্যার কালরাত্রি ও আলোকের অভিযাত্রী’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২৫ মার্চ কালরাতে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ব্যারিকেড উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান। আলোচক হিসেবে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ এমপি, এ কে আজাদ এমপি, চিত্রনায়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দীন আহমেদ আলমগীর, তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ প্রমুখ।
আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ধারাবাহিক আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছেন। আমরা তার আহ্বানেই প্রতিটা আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। তিনিই ছিলেন আমাদের প্রেরণা। আমরা আজ সার্থক। নতুন প্রজন্মকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসটুকু জানাতে পেরেছি।’









