গতকাল বেলা ১১টা থেকে দর্শনার্থীদের প্রবেশ শুরু হয়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করে শিশু, তরুণ, শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে প্রবীণ দর্শনার্থীরা। পরে তারা ঘুরে দেখে জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা ও শিশুদের জন্য ২৫ টাকা। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অনলাইন কিংবা অফলাইনে টিকিট সংগ্রহ করে জাদুঘর পরিদর্শন করা যাবে। তবে অনলাইনে নির্ধারিত সময়ভিত্তিক (স্লট) বুকিং করা দর্শনার্থীদের ওই সময়েই প্রবেশ করতে হবে। কোনো দিনের সব স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তী দিনের খালি সময় নির্বাচন করতে হবে।
জাদুঘরে প্রবেশ করতেই দর্শনার্থীদের চোখে পড়ে গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে নির্মিত প্রতীকী কবরস্থান। পাশেই রয়েছে আন্দোলনের স্মৃতি ও বীরত্বগাথা তুলে ধরা বিভিন্ন ভাস্কর্য। প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে শেখ হাসিনার ব্যবহৃত কক্ষ, চেয়ার-টেবিল, লাইব্রেরি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী। পাশাপাশি একটি বিশেষ ফোনের মাধ্যমে তার বিভিন্ন বক্তব্য ও কথোপকথন শোনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
জাদুঘরের একটি বড় অংশজুড়ে সংরক্ষণ করা হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের ব্যবহৃত জামাকাপড়, জুতা, কলম এবং তাদের পেশাগত জীবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম। এছাড়া শেখ হাসিনার প্রায় দেড় দশকের শাসনামলে আলোচিত ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত গোপন নির্যাতন কেন্দ্রের চিত্র ও তথ্য ডিজিটাল উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের প্রথম দিনটি শুধু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত ছিল।









