ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মানসম্মতভাবে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ। প্রকল্পের নির্মাণকাজের গতি বাড়াতে এবং বাস্তবায়নে উদ্ভূত জটিলতা দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সেতু বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি, বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।
সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের ভৌত ও আর্থিক অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের কাজের অবস্থা, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় প্রকল্পের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি সাভার, আশুলিয়া, বাইপাইল ও ইপিজেড এলাকার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ সহজ হবে এবং যানজট নিরসনে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে প্রকল্পটি ঢাকা মহানগরীর যানজট কমাতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।
সভায় নির্মাণাধীন এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তাবেষ্টনী নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের অবশিষ্ট অংশের ভূমি অধিগ্রহণ দ্রুত শেষ করা এবং পাইপলাইন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও টেলিযোগাযোগের ভূগর্ভস্থ ইউটিলিটি লাইন দ্রুত স্থানান্তরে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
প্রকল্পের কাজের মান ও গতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটি, পরামর্শক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যৌথ সাইট পরিদর্শন এবং মাসিক সমন্বয় সভা আয়োজনের পরামর্শ দেয়া হয়।
সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক, প্রকল্প পরামর্শক এবং সংশ্লিষ্ট দেশী-বিদেশী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে প্রকল্পের চ্যালেঞ্জগুলো দ্রুত সমাধান করে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেয়া হয়।










