সন্ত্রাস নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পাহাড়ে অভিযান চলমান
থাকবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। রোববার (৭ এপ্রিল)
বান্দরবান সেনানিবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাপ্রধান এ কথা বলেন। তিনি অভিযানের
কার্যক্রম পরিদর্শন ও সমন্বয়ের জন্য বান্দরবান সেনা রিজিয়ন ও ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড
সদর দফতরে এসেছিলেন।
সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সমন্বিত অভিযান শুরু হয়েছে মন্তব্য করে
তিনি বলেন, বান্দরবানে কুকি চিন ন্যাশনাল
ফ্রন্টের (কেএনএফ) অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার, অস্ত্র উদ্ধার ও
এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সমন্বিত অভিযান শুরু
হয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার ও দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
রিজিয়ন সদর দফতর ও অভিযানসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে
সেনানিবাসের হেলিপ্যাডে সেনাবাহিনী প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের
সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, আগের অভিযানে কেএনএফকে সব ঘাঁটি থেকে
বিতাড়িত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে শান্তি আলোচনার ছত্রচ্ছায়ায় তারা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সন্ত্রাসী
কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। সন্ত্রাসী কাজে যখন তারা জড়িয়ে পড়েছে, এখন সরকারের সামগ্রিক কৌশল অনুযায়ী সমন্বিত অভিযানে
পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সেনাপ্রধান বলেন, গত ৩১ মার্চ ইস্টার
সানডে উপলক্ষে সেনাবাহিনীর রুমা জোন থেকে ৩৮টি কেক বিভিন্ন গির্জায় পাঠানো হয়েছিল।
বেথেলপাড়ার সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কেক উপহার দেয়া হয়। আর কেক বিতরণের এক দিন পর ২
এপ্রিল রুমায় সোনালী ব্যাংকে হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
তিনি বলেন, জনগণের শান্তি ও দেশের
সার্বভৌমত্বের জন্য যা করার প্রয়োজন তা করতে হবে। সেই অনুযায়ী সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ, আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে
অভিযান চলছে। অভিযানে শনিবার দুটি অস্ত্র উদ্ধার ও কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। শান্তি আলোচনা নিয়ে তাদের
বিশ্বাস করা হয়েছে।










