স্বাস্থ্য খাতে দেশের মোট ব্যয়ের ৭৩ শতাংশ ব্যক্তি তার নিজের পকেট থেকে বহন করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।
রাজধানীর গুলশানের এক হোটেলে গতকাল ‘সমতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতি, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সংলাপে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে এ প্রস্তাবনা জানিয়েছে ‘কোয়ালিশন ফর অ্যাডভান্সিং ইকুয়ালিটি অ্যান্ড জাস্টিস’। কোয়ালিশনে রয়েছে ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স, সেভ দ্য চিলড্রেন, ওয়াটারএইড, অক্সফাম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, জাগো ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল। এতে তারা নারী ও শিশু সুরক্ষাবিষয়ক বিস্তারিত সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন। এ সময় রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতাহারে শিশুবিবাহ প্রতিরোধ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ, শিশুশ্রম নির্মূল এবং মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়া হয়।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। কোয়ালিশনের সুপারিশগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলকে একযোগে কাজ করতে হবে যাতে প্রতিটি নারী ও শিশু নিরাপদ ও সমৃদ্ধ জীবন পায়। নির্বাচনী ইশতাহারে নারী ও শিশু সুরক্ষার সুপারিশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এ দেশে ৫১ শতাংশ নারী ও ৩৩ শতাংশ শিশু সমাজেরই অংশ এবং সম্পদ। নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশুদের সুরক্ষা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। বক্তব্য দেন রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা, জামায়াতে ইসলামী মেট্রোপলিটন এক্সিকিউটিভ কমিটির মেম্বার ডা. ফেরদৌস আরা খানম।










