ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে প্রবেশে পূর্ব ও পশ্চিম দিকে রয়েছে দুটি পৃথক গেট।
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেও যাতায়াতের একমাত্র পথ পূর্ব গেট।
কিন্তু এ দুটি গেটের সঙ্গে যুক্ত সড়কে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানা-খন্দ।
সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটিতে পানি জমে যায়।
সড়ক দুটি তাই রিকশা, অটো বাইক, মোটরসাইকেল ও পথচারীদের ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন হাসপাতালে আসা রোগী ও দর্শনার্থীরা।
জানা গেছে, ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল চত্বরে আড়াইশ’
শয্যাবিশিষ্ট নয়তলা ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।
ভবনের জন্য মালামাল সরবরাহ করার ভারী গাড়ির কারণে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বেতলস গ্রামের বারেক হাওলাদারের অসুস্থ স্ত্রী রাজিয়া বেগম (৫৮) কাদা-পানির সড়ক ডিঙিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে আসার সময় হোঁচট খেয়ে গুরুতর আহত হন।
রাজিয়া বেগম জানান, ইজিবাইকে করে সদর হাসপাতালে ঢুকছিলাম।
১০ কিলোমিটার দূর থেকে এসে বিপদে পড়েছি ৫০ গজ জায়গায়।
পূর্ব গেট পার হয়ে ঢুকতেই অটোবাইক হেলে পড়লে আমি ছিটকে পড়ে যাই।
হাঁটু ও কনুইতে প্রচণ্ড আঘাত লাগে।
পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউরী গ্রামের শিউলী বেগম জানান, ঝালকাঠি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ঢুকছিলাম মাতৃত্বকালীন চিকিৎসা নেয়ার জন্য।
গেট দিয়ে ঢুকতেই বিশাল গর্ত।
যাওয়ার কোনো পথ না পেয়ে বাইরে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে যাই।
এ ব্যাপারে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী বলেন, গণপূর্ত বিভাগকে সংক্ষিপ্ত এ সড়কটুকু সংস্কার করার জন্য বারবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো সত্ত্বেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।
তারা শুধু হাসপাতালের টাইলস বসিয়ে চলছে।










