সিলেটেও পালিত হচ্ছে হরতাল। বিচ্ছিন্ন
দু-একটি ঘটনা ছাড়া কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নগরীর জিন্দাবাজারে
পিকেটারদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এসময় পুলিশ একজন পিকেটারের
মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। এছাড়া হরতালের কারণে দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
আজ রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে জিন্দাবাজার
এলাকায় সকালে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে পিকেটিং করার চেষ্টা করলে তাদের সরিয়ে
দেয় পুলিশ।
জিন্দাবাজার পয়েন্ট ও কাজি ইলিয়াস
এলাকার সড়কে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাঁতিপাড়ার গলি থেকে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী
হঠাৎ বের হয়ে পিকেটিংয়ের চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ এগিয়ে গেলে তারা ইট-পাটকেল ছুড়তে
থাকে। তবে পুলিশের ধাওয়ায় সড়কে দাঁড়াতে পারেনি। এসময় বিএনপি নেতাকর্মীদের দিকে
রাবার বুলেট ও টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। পিকেটিংকারী একজনের ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেল
পুলিশ জব্দ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে আশপাশের অলিগলিতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে
কয়েকজনকে আটক করে।
সকাল ১০টায় দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল,
হুমায়ুন রশিদ চত্বর, কদমতলী বাসস্ট্যান্ড ও পাবনা পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি
এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ওসব জায়গায় কাউকে পিকেটিং করতে দেখা যায়নি।
হরতাল ডেকে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা
মাঠে না থাকলেও গণপরিবহন চলাচল তুলনামূলক কম দেখা গেছে। তবে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল,
রিকশা, সিএনজিসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল করছে।
এদিকে হরতালের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে
হচ্ছে কর্মজীবীদের। গণপরিবহন কম থাকায় ভোগান্তির পাশাপাশি গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
সিলেটে ভোর থেকে নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি
বিশেষ টিম ক্রাইসিস রেন্সপন্স টিম-সিআরটি রয়েছে মাঠে। সাদা পোশাকেও কাজ করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের
(এসএমপি) কমিশনার মো. ইলিয়াস শরীফ বলেন, সিলেটের জনগণের সার্বিক নিরাপত্তায় আমরা
মাঠে রয়েছি। হরতালকে কেন্দ্র করে কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে আমরা কঠোরভাবে তা দমন করব।
আজ ভোর থেকে আমাদের মোবাইল টিম, সিআরপি ও সাদা পোশাকে একাধিক টিম মাঠে রয়েছে। কোথাও
কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।










