সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় গ্রেফতার চালকের সহযোগী রশিদ আহমদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাগীব নূরের কাছে ১৬৪ ধারায় ঘটনায় নিজের সম্পৃক্তার কথা স্বীকার করেন তিনি। এসময় আদালত রশিদ আহমদকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
সুনামগঞ্জের কোর্ট পরিদর্শক আবুল হাশেম বলেন, আসামিকে আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা দিরাইগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে করে (সিলেট জ-১১০৭২৩) আসছিলেন ওই কলেজছাত্রী। দিরাই পৌরশহরের সুজানগর এলাকায় আসার পর তিনি ছাড়া বাকি যাত্রীরা নেমে যান। কোনো যাত্রী না থাকায় বাসের চালক ও সহযোগী মিলে তাকে উত্যক্ত করার এক পর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সম্ভ্রম বাঁচতে একপর্যায়ে চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে সড়কের পাশে পড়ে যান ওই শিক্ষার্থী। এসয়ম গ্রামবাসী আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাতেই কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় গত ২৬ ডিসেম্বর রাতে ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা বাদী হয়ে বাসের চালক, চালকের সহযোগীসহ (হেলপার) অজ্ঞাতনামা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২৮ ডিসেম্বর সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ এলাকা থেকে রশিদ আহমদকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।










