খুলনা
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেনের মরদেহ
কবর থেকে তোলা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাঁশগ্রামের একটি কবরস্থান থেকে মরদেহটি তোলা হয়।
ড.
সেলিমের মরদেহ তোলার দায়িত্বে ছিলেন কুষ্টিয়ার নির্বাহী
ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ সাদাত। তিনি জানান, মরদেহ উত্তোলন করে খানজাহান আলী থানার পুলিশের একটি টিমের কাছে হস্তান্তর
করে হয়েছে।
এর
আগে, কুয়েট শিক্ষকের মরদেহ কবর থেকে তোলার বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার
বিকেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক
মনিরুজ্জামান তালুকদারের পাঠানো চিঠি হাতে পান কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ
সাইদুল ইমলাম।
তিনি
বলেন, রাতে চিঠি হাতে পাওয়ার পর উত্তোলন সম্ভব
না হওয়ায় আজ সকালে ড. সেলিমের লাশ তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ দায়িত্বে নিয়োজিত
ছিলেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এর
আগে গত ৫ ডিসেম্বর কুয়েটের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আনিচুর রহমান
বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষে অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুকে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে
উল্লেখ করে এর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে কবর থেকে মরদেহ তুলে পূর্ণ তদন্তের অনুরোধ করে জেলা
পুলিশকে চিঠি দেন। পরবর্তীতে খুলনার খানজাহান আলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহরিয়ার
হাসান মরদেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য আবেদন
করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুষ্টিয়া জেলা
ম্যাজিস্ট্রেটকে বলা হয়।
গত
৩০ নভেম্বর কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক (ইইই) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের
অধ্যাপক এবং লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ সেলিম হোসেন ক্যাম্পাসের পাশের ভাড়া বাসায়
মারা যান। গত ১ ডিসেম্বর ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার মরদেহ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার
বাঁশগ্রামে দাফন করা হয়।
অভিযোগ ওঠে, বাসায় ফেরার পথে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা
অধ্যাপক সেলিমকে বিভাগে তার কক্ষে নিয়ে গিয়ে মানসিক নিপীড়ন চালায়। এ কারণেই তার মৃত্যু হয়।










