ঘন কুয়াশায় চাঁদপুরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে নৌ-চলাচল। প্রতি বছরের মতো এবারো কুয়াশার কারণে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কুয়াশার ভেতর চলাচল উপযোগী আধুনিক যন্ত্র না থাকায় অধিকাংশ লঞ্চই ঝুঁকি নিয়েই চাঁদপুরের ঘাট ছাড়ছে। যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হচ্ছে। এছাড়া প্রায়ই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। এ অবস্থায় নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এজেডএম জালাল উদ্দিন জরুরি নৌ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ অফিস এ নৌ সতর্কতা পালনে লঞ্চমালিকদের অবহিত করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন নৌরুটে ঘন কুয়াশার সৃষ্টি হচ্ছে। নৌপথগুলো নিরাপদ নৌ-চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে ঘন কুয়াশার মধ্যে নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার পাশাপাশি সতর্কতার সঙ্গে নৌযান পরিচালনার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, চলতি পথে কুয়াশা হলে নৌযান থামিয়ে বাজাতে হবে হুইসেল। মাঝনদীতে যাত্রী ওঠানামায়ও রয়েছে বিধিনিষেধ। এসব বিধিনিষেধ উপেক্ষা করতে দেখা যায় লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর উপপরিচালক মো. কায়সারুল ইসলাম বলেন, এ শীতে বিআইডব্লিউএর পক্ষ থেকে সতর্কতার সঙ্গে লঞ্চ চালাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রতিটি লঞ্চ যেন পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি রেখে চলাচল করে। এমভি শাহ আলী-১ লঞ্চের ইঞ্জিনচালক মহিরুল ইসলাম বলেন, কুয়াশার কারণে ছোট লঞ্চগুলো বেশি সমস্যায় পড়ে।
লঞ্চমালিক প্রতিনিধি রুহুল আমীন জানান, লঞ্চগুলোতে কুয়াশা ভেদ করার মতো যন্ত্র না থাকলেও ডান-বাম এবং নদীর গভীরতা দেখার মেশিন রয়েছে। এছাড়া সরকারিভাবে আমাদের কাছে নির্দেশনা রয়েছে মাঝনদীতেই লঞ্চ বন্ধ রাখতে, কুয়াশা কেটে গেলে লঞ্চ চলাচল শুরু করতে।










