পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ধাওয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পূর্ব ধাওয়া গ্রামে জ্বর সর্দি কাশি গলাব্যথা নিয়ে মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থী কভিড-১৯ আক্রান্ত ছিলেন না। আজ শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) রিপোর্টে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্পনা কর্মকর্তা এইচ এম জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত মঙ্গলবার আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ছেলে সবুজ হাওলাদার (১৮) জ্বর, সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা নিয়ে মারা যান। এরপর ওই এলাকার ২৩৫টি পরিবারের সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টিন করা হয়। পরে সবুজ হওয়ালাদারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্পনা কর্মকর্তা এইচ এম জহিরুল ইসলাম জানান, ওই এলাকার ২৩৫টি পরিবারকে কোয়ারেন্টাইন মুক্ত করতে এবং লকডাউন তুলে দিতে উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছি। তবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সবাইকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল আলম জানান, ওই ২৩৫ পরিবারের হোম কোয়ারেন্টিন শিথিল করা হয়েছে। তবে, ওই শিক্ষার্থীর বাড়ির সদস্যরা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। কারণ ওই শিক্ষার্থীর বড় ভাই রিপন হাওলাদার এবং একই বাড়ির ইদ্রিস আলী হাওলাদারের মেয়ে সাথী আক্তার জ্বর সর্দি কাশিতে আক্রান্ত। তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআর পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।










