রাজশাহী নগরীর হাদির মোড় এলাকার মুদি দোকান সাহাবুদ্দিন
স্টোর। দোকানটিতে সয়াবিন তেল কিনতে গেলে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছিল ক্রেতাদের। বলা হচ্ছিল,
দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। অথচ দোকানের পাশের ভবনের গুদামে থরে থরে সাজিয়ে রাখা
ছিল তেলের বোতল। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিষয়টি ধরা পড়ে।
আজ রোববার দুপুরে প্রথমে ক্রেতা সেজে সাহাবুদ্দিন স্টোরের
দোকানী মো. জুয়েলকে পাকড়াও করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।পরে তার গুদামে
অভিযান চলে। গুদাম থেকে ৮০০ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় ওই দোকানীর
৫০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের
সহকারী পরিচালক হাসান আল মারুফ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের
ভিত্তিতে পরে সাহাবুদ্দিন স্টোরের গুদামে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ৮০০ লিটার বোতলজাত
সয়াবিন তেল পাওয়া গেছে। ওই দোকানী মো. জুয়েল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছেন।
এজন্য তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তাৎক্ষনিকভাবে জরিমানার অর্থ আদায় করে মামলাটি নিস্পত্তি
করা হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে মজুদ তেল খোলা বাজারে বিক্রির করবেন বলে ওই দোকানী
মুচলেকাও দিয়েছেন।
হাসান-আল-মারুফ আরও বলেন, রাজশাহী নগরীতে ভোজ্য তেলের ঘাটতি
নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তা সত্ত্বেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধ মজুদ গড়ে কৃত্রিম
সংকট তৈরীর চেষ্টা করছেন।
তথ্য পেলেই দ্রুত অভিযান চালিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এসময় তথ্য দিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে সহায়তার আহবান জানান তিনি।










