এর মধ্যে উপসর্গে ৭৯১ এবং হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৯ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গতকাল প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে শুধু ঢাকা বিভাগেই দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এ সময়ে চট্টগ্রাম, সিলেট ও রংপুর বিভাগে হামের উপসর্গে একজন করে মোট তিন শিশুর প্রাণহানি হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে সবচেয়ে বেশি ৩৪৫ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১২৮ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯১, ময়মনসিংহে ৭২, চট্টগ্রামে ৬২, বরিশালে ৪৭, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৪ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৫১। এ সময়ে ৮৯৫ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৬৩ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৭৬ জনে। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৫৪৩। এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৯০৮ রোগী। তাদের মধ্যে ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৯০ জন ছাড়পত্র পেয়ে এরই মধ্যে বাড়ি ফিরেছে।










