কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। আজ সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, কৃষি, নিরাপদ খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। শুরুতে কৃষিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এ সময় মন্ত্রীসভার সদস্য হিসেবে যুক্ত হওয়ায় আমির উর রশিদকে অভিনন্দন জানান সাইদা শিনিচি।

কৃষিখাতে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ও দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী জাপান। জাইকার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করছে জাপান। দেশটির কৃষি বিশেষ করে ধান উৎপাদনের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক মিল রয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে জাপানে কৃষি পণ্য আমদানি বাড়াতে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের বড় বড় নদীর অববাহিকায় অসংখ্য চর রয়েছে। যেখানকার মাটি উর্বর, সেগুলোয় মিষ্টি আলু জাতীয় ফসল উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।

জাপান আগ্রহী হলে সেখানে বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক উপায়ে রফতানিমুখী কৃষি পণ্য উৎপাদন করা যাবে। এ সময় তিনি জাপানের স্টিকি রাইস উৎপাদনে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা রাষ্ট্রদূতকে জানান। এছাড়া রফতানিমুখী ইল (কুচিয়া) ও কাঁকড়া চাষে জাপানের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আশা করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাইকার মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্যখাতে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে জাপান। বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও খাদ্য প্রক্রিজাতকরণ খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপানের বেসরকারি খাত।

জাপানের এ বিনিয়োগের আগ্রহকে স্বাগত জানান মন্ত্রী আমিন উর রশীদ।