সর্বশেষ গতকাল সকালে জানাজা শেষে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশী কবরস্থানে ব্যবসায়ী আহম্মেদ বাবুর দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে গত শনিবার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে পৌঁছায় তার মরদেহ। বাবুর মৃত্যুতে তার স্ত্রী ও দুই সন্তান চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত ও শ্বশুর আকরাম হোসেনের মরদেহ গত শনিবার রাতে কুষ্টিয়ায় পৌঁছায়। গভীর রাতে পৃথক ধর্মীয় রীতিতে তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। রাত ২টায় কুষ্টিয়া মহাশ্মশানে সনাতন রীতিতে দেবাশীষ ও তার ছেলের সৎকার করা হয়। পরে তাদের পাশাপাশি সমাধি দেয়া হয়। রাত ৩টায় কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে মুসলিম রীতিতে দাফন করা হয় দেবাশীষের স্ত্রী ও শ্বশুরকে। এ ট্র্যাজেডিতে তাদের সাত বছরের শিশুসন্তান মহিমা অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসন থেকে ১ লাখ টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বরেয়া গ্রামের বাসিন্দা আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে হস্তান্তর করা হয়। শনিবার বিকালে মুষলধারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে শত শত মানুষ তাকে দেখতে আসে। আসরের নামাজ শেষে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমান ও তার পরিবার অংশ নেন।
তিনটি জেলার পরিবারগুলোতে এখন শুধুই শোকের মাতম। স্বজনদের আকস্মিক হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পরিবারের বেঁচে থাকা সদস্যরা।










