ফলে এগুলোর ওপর নৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের অন্যতম বড়ো চ্যালেঞ্জ।’

গতকাল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (বিসিটিআই) ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ স্বভাবতই অন্যের কথা শুনতে, বুঝতে এবং বিশ্বাস করতে চায়। এ বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে সমাজে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারেন, যা একদিকে যেমন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, অন্যদিকে অপব্যবহারের ঝুঁকিও রয়েছে।’

পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যম, চলচ্চিত্র ও সৃষ্টিশীল খাতে যারা কাজ করেন, তাদের ওপর বর্তমানে বড় দায়িত্ব রয়েছে। নৈতিকতা ও পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ না করলে এ শক্তিশালী মাধ্যম সমাজের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। সরকার ভবিষ্যতে সৃষ্টিশীল ও প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো আধুনিক, বিস্তৃত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে।’

চলচ্চিত্রের প্রভাব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘চলচ্চিত্র এমন একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা মানুষকে হাসাতে, কাঁদাতে এবং গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।’ এ শক্তিকে মানবতা ও সভ্যতার কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।