এ একীভূত সংস্থা গতকাল কার্যক্রম শুরু করেছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ই এখন দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা, যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
বিরোধী দলের সদস্যদের আপত্তির মধ্যেই গত ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে পাস হয় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল, ২০২৬’। সেটি আইনের রূপ নেয়ার পর তার অধীনেই নতুন সংস্থাটি যাত্রা করল। নতুন সংস্থার লোগোও এদিন প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনটি প্রতিষ্ঠানকে একটি জাতীয় বিনিয়োগ প্লাটফর্মে রূপান্তরের ব্যাখ্যায় বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা সারা দেশের বিনিয়োগ সুযোগের জন্য এক জায়গা থেকে সহায়তা পাবেন। বিনিয়োগসেবা, সুবিধা ও নীতির বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সহজ ও সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য বিনিয়োগকারী ও অংশীদাররা দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি একক যোগাযোগ কেন্দ্র চেয়ে আসছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া, বিনিয়োগ প্রস্তুত স্থান খুঁজে পাওয়া এবং ব্যবসার প্রবৃদ্ধির বাধা মোকাবেলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিনিয়োগকারীদের সহায়তা করবে। সংস্থাটি বাংলাবিজ পরিচালনা অব্যাহত রাখবে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, একীভূত হওয়া বিডা, বেজা ও পিপিপিএর নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমমানের পদে ইনভেস্ট বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হবেন। তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও বর্তমান সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে। পরামর্শক, আউটসোর্সিং কর্মী ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীরা তাদের বর্তমান চুক্তি বা আদেশের শর্ত অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন।










