ভরা মৌসুমে বগুড়ায় সবজির দাম চড়া। গত বছর যে দামে সবজি বিক্রি হয়েছিল এবার তার চেয়ে দ্বিগুণ, তিন গুণ দামে সবজি কিনতে হচ্ছে ক্রেতাকে।

গতকাল প্রতি কেজি স্টিক আলু ৪০ টাকা, দেশী পাকড়ি আলু ৪৫, পেঁয়াজ ৭০, মরিচ ৬০-৭০, শিম ৫০-৬০, বেগুন ৯০, মিষ্টি কুমড়া ও মূলা ৩০, বরবটি ৬০, খিরা ৫০, মটরশুঁটি ১৪০ এবং ফুলকপি, টমেটো ও গাজর ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি পিস বাঁধাকপি ২৫ ও লাউ ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

রাজাবাজারের সবজি ব্যবসায়ী মো. দুলাল বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও বেগুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি আমরা। কৃষক মাঠেই এখন এমন দাম নিচ্ছেন। যার জন্য আমাদের বেশি দামে বিক্রি করা লাগছে। অন্য সবজির দাম মোটামুটি একই রকম আছে।’

বগুড়ার সবজির মোকাম মহাস্থানহাটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় সবজির উৎপাদন খরচ বেড়েছে। একই সঙ্গে সবজির ফলনও কমেছে। ফলে গত মৌসুমের তুলনায় বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন কৃষক ও পাইকাররা।

শনিবারের হাটে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি সাদা আলু ২৮-৩২, লাল পাকড়ি ৪০-৪২, ফুলকা ১৬, ফুলকপি ২৫-৩৩, পেঁয়াজ ৫৭ দশমিক ৫, মরিচ ৫৫-৬০, মূলা ১৭-২২, কুমড়া ২৫, গাজর ২২, পেঁপে ৩০ টাকা দামে বিক্রি হয়। প্রতি পিস লাউ ৩৫ ও বাঁধাকপি ১৭-২৩ টাকায় বিক্রি করছেন কৃষক।

হাটের পাইকার মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘গত বছর এ সময় ফুলকপি, মূলায় তাদের লোকসান হয়েছিল। এ কারণে এবার শীতকালীন সবজির আবাদ কম করেছেন কৃষক। এসময় যশোর, ঠাকুরগাঁও থেকেও ফুলকপি, বাঁধাকপি আসত কিন্তু সেটাও আসছে না আর আবাদেও এবার খরচ বেড়েছে। এসব কারণে সবজির দাম বেশি।’