কুষ্টিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার ভোরে সদর উপজেলায় ৪ জন নিহত হন। এসময় আহত হন একজন। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে দৌলতপুর উপজেলায় মৃত্যু হয় দুজনের।

পুলিশ জানায়, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় মণ্ডল হোটেলের সামনে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ সড়কে একটি ড্রামট্রাকের ধাক্কায় চারজন নিহত হন। এ সময় আহত হন একজন। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ভোরের ঘটনায় নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার স্বস্তিপুর এলাকার হজেল হোসেনের ছেলে ভ্যানচালক মুক্তার হোসেন (৫০), একই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী জেসমিন (৩০), আলামপুর হালদারপাড়ার এলাকার ভাদু মোল্লার মেয়ে রোজিনা খাতুন (২৭) এবং হালদারপাড়ার মনোরঞ্জনের স্ত্রী স্বপ্না রানী (৪৫)।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি সাব্বির আলম জানান, ঝিনাইদহগামী দ্রতগতির একটি ড্রামট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এ সময় ভ্যানে থাকা যাত্রীদের হতাহতের ঘটনা ঘটে। হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ঘটনার পর ড্রামট্রাক চালক পালিয়ে গেছে। তবে, ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত তহমিনা খাতুন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

রোববার রাতে দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় আরেকটি ড্রামট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হন। তারা হলেন- উপজেলার কৈপালে গ্রামের বিদ্যুৎ (৩৭) ও একই এলাকার রাজন (৩৬)। তারাগুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন ফারুক চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ট্রাকটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। দৌলতপুর থানার ওসি এস এম জাবীদ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় ট্রাক চালক পালিয়ে গেছেন। মরদেহ উদ্ধারের পর মর্গে পাঠানো হয়েছে।