ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখায় এসব ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এতে মধ্যপ্রাচ্যগামী হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাশাপাশি বিমান চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় তৈরি হয়েছে।

তবে গতকাল সীমিত পরিসরে শুরু হয় ফ্লাইট চলাচল। এদিন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নিয়ে ফ্লাইট ঢাকা ছেড়ে গেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ পরিস্থিতির প্রভাবে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০, ২ মার্চ ৪৬, ৩ মার্চ ৩৯, ৪ মার্চ ২৮, ৫ মার্চ ৩৬, ৬ মার্চ ৩৪, ৭ মার্চ ২৮, ৮ মার্চ ২৮ এবং ৯ মার্চ ৩৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

গত সোমবার রাত ১২টার পর থেকে আরো ৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের দুটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার চারটি, গালফ এয়ারের চারটি, কাতার এয়ারওয়েজের চারটি, এমিরেটসের চারটি, জাজিরা এয়ারওয়েজের চারটি, ফ্লাইদুবাইয়ের চারটি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তিনটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের তিনটি ফ্লাইট রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো পুনরায় চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে।