নভেল করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কর্মহীন শ্রমজীবী ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে ওপেন মার্কেট সেল বা ওএমএসে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে সরকার। সেই সঙ্গে এলাকায় এলাকায় বরাদ্দ করা হয়েছে ভিজিডির চালও। তবে সেই চাল সাধারণ মানুষের হাতে যাওয়ার আগেই চলে যাচ্ছে কিছু দুর্নীতিবাজের ঝুলিতে। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে এমনই ৬৩০ বস্তা চাল জব্দ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এ নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা দায়ের করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিখিল চন্দ্র বর্মণ। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ইউপি সদস্য কুলসুম বেগম, পান্না কউসার, আমিরুল ইসলাম, সামিরুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ ও জামিরুল ইসলাম।
তবে মামলার পরও আজ শুক্রবার ফের অভিযান চালিয়ে ২৬৯ বস্তা চাল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। এ নিয়ে ৮৯৯ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করা হয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল আলম সুমন জানান, গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে এসব সরকারি চাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ড. কামরুজ্জামন সেলিম বলেন, দেশের দূর্যোগ মুহুর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের জন্য এসব চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। গরীবের হক নিয়ে যারা অপকর্ম করছে তাদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেয়া হবে না।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ি ইউনিয়নের পারুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব জাল জব্দ করে প্রশাসন। চাল মজুদজাত করার অভিযোগে ভাই ভাই হাস্কিং নামে দুটি মিলের ৫টি গুদাম সিলগালা করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে দু’জনকে আটক করে প্রশাসন।










