বগুড়ার সাতটি আসনেই জয়ী বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীদের বিপুল ভোটে পরাজিত করে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটের দিন রাতেই রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বগুড়ার আসনগুলোর ফলাফল ঘোষণা করেন। ফল ঘোষণার পর থেকেই বগুড়ার আসনগুলোয় বিজয়ী ধানের শীষের প্রার্থীরা এলাকায় ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু করেছেন।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে আবদুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন মোরশেদ মিল্টন। গতকাল জুমার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয় উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোটার ও সমর্থকদের দেখা যায়, তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে।
বগুড়া-২ আসনে বিজয়ী মীর শাহে আলম জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বগুড়া-৩ আসনে বিজয়ী আব্দুল মহিত তালুকদারকে এলাকাবাসী ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। বগুড়া-৪ আসনের বিজয়ী মোশারফ হোসেনও এলাকায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে দেখা করেন।
বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম জানান, নির্বাচিত প্রার্থীদের বিজয় উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করায় বগুড়াবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে শুক্রবার বাদ জুমা বগুড়া শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে বিএনপির বিজয় উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা বিএনপির নেতারা অংশ নেন।
বগুড়ার সাতটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আনন্দের আমেজ লক্ষ করা গেছে। সকাল থেকেই চা-স্টল, হোটেল, দোকান ও ফুটপাতে ভোটের আলোচনা চলতে দেখা যায়।










