বুড়িমারী স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশ ঘটাতে পারলে উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে এ জেলা।

লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে বৃহস্পতিবার রাতে ‘হামার লালমনি’ প্রদর্শনী উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘লালমনিরহাট শুধু একটি জেলা নয়, এটি উত্তর জনপদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সম্ভাবনা ও সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। তিস্তাপারের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটের একটি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে উঠেছে। সীমান্ত বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন ও মানবসম্পদ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই এ জেলার রয়েছে অপার সম্ভাবনা।’

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘এ জনপদের মানুষের জীবনযাপন, লোকসংগীত, লোকঐতিহ্য ও উৎসব আমাদের জাতীয় সংস্কৃতির মূল্যবান সম্পদ। উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শেকড়, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়কে ধারণ করতে হবে।’

তিনি জানান, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনার সমন্বয়ে লালমনিরহাটকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও শান্তির লীলাভূমি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

জেলা প্রশাসক মোহা. রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।