বরিশাল
সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল গতকাল। আগামী ১২ জুন অনুষ্ঠিতব্য
ভোটে অংশ নিতে মেয়র পদে ১০ জন এবং
৩০ সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৪৬ জন ও ১০
সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৪২ জনসহ মোট
১৯৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে আচরণবিধি
লঙ্ঘন করায় ছয় কাউন্সিলর প্রার্থীকে
অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, জাতীয় পার্টির প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ও তার ভাই মুফতি সৈয়দ এছাহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র হিসেবে সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে সাবেক ছাত্রদল নেতা কামরুল আহসান রুপন, আসাদুজ্জামান, লুৎফর কবির, মো. নেছারউদ্দিন ও আলী হোসেন হাওলাদার।
শেষ দিন গতকাল মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন। বিএনপি দলীয় সাবেক মেয়র প্রয়াত আহসান হাবিব কামালের ছেলে কামরুল আহসান রুপন বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না এটা বুঝেশুনেই প্রার্থী হয়েছি। আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে এ সিটি নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্বকে দেখাতে চাই এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’
মনোনয়পত্র জমা দেয়ার পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে আমরা যথেষ্ট সন্দিহান। আচরণবিধি মানার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন একটি দলের প্রার্থীর প্রতি যথেষ্ট নমনীয়। ওই দলটি এরই মধ্যে লিফলেট ছাপিয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। এর বিপরীতে অন্য প্রার্থীদের বেলায় কয়েক গুণ বেশি কঠোরতা দেখাচ্ছে কমিশন।’










