শীত বেড়ে যাওয়ায় বগুড়ায় গরম কাপড়ের দোকানে মানুষের ভিড় বেড়েছে দ্বিগুণ। গত চারদিন কাপড় বিক্রিও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। কিছুদিন আগেও যে পোশোকের দাম নাগালের মধ্যে ছিল এখন তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ক্রেতারা।
পোশাক বিক্রেতারা জানান, বগুড়ায় গত চারদিন উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বাড়িয়েছে শীতের তীব্রতা। হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন। শীতের তীব্রতা বাড়ায় শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে মার্কেটগুলোয় গরম কাপড় কিনতে ভিড় করছে মানুষ।
গতকাল বগুড়া শহরের সাতমাথা, নিউ মার্কেট, হাকার্স মার্কেট, ফুটপাত, কাঁঠালতলা, ফুলবাড়ীতে কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। সুযোগ পেয়ে দোকানিরা ১০০ টাকার কাপড় ১৫০ টাকা দাম হাঁকাচ্ছেন।
বগুড়া শহরের সাতমাথায় কাপড় কিনতে আসা ওয়ারেছ ভুট্ট জানান, কয়েকদিন ধরে কনকনে শীত। মোটা কাপড় না হলে টিকে থাকা মুশকিল। কয়েক দিন আগেও শীতের পোশাকের দাম ছিল হাতের নাগালে। এখন দাম হাঁকছে দ্বিগুণ। হাতমোজা ছিল ২০ টাকা। সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। মোটা সুয়েটার ছিল ১০০-২০০ টাকার মধ্যে। এখন সেটার দাম ৩০০ টাকা। নতুন কাপড়ের দাম বেড়েছে ৩০০-৪০০ টাকা হারে।
বগুড়া শহরের মাহাবুব হোসেন জানান, গত বছর যে জ্যাকেট বিক্রি হয়েছে ৮০০-১০০০ টাকায়। এবার সেই জ্যাকেট বিক্রি করছে ১ হাজার ৪০০-১ হাজার ৫০০ টাকা করে। ভালো মানের নিতে গেলে ৪ হাজার টাকা পড়ছে।
বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জেলা প্রশাসন থেকে কয়েকশ কম্বল ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। আরো কিছু বিতরণ প্রক্রিয়াধীন। সেগুলো দ্রুত বিতরণ করা হবে।’
এদিকে বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক গোলাম কিবরিয়া জানান, শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে। গতকাল জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ৪ ডিগ্রি সেলিয়াস।
এক সপ্তাহ আগে বগুড়ায় তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।










