বরিশাল বিভাগের নয়টি নদীর পানি সকাল থেকে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরো কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল দুপুরে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তাজুল জানান, পূর্ণিমা ও উজানের পানির চাপে অনেক নদীর পানি বেড়েছে। তবে দক্ষিণাঞ্চলে এখন পর্যন্ত বন্যার কোনো প্রভাব নেই। নদ-নদীর পানি যে পরিমাণ বেড়েছে, তা মৌসুমের স্বাভাবিক পরিস্থিতি। 

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গতকাল সকাল ৭টায় বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার ধর্মগঞ্জ নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়া ভোলার দৌলতখানের সুরমা-মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ৩৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে ও তজুমদ্দিনের সুরমা-মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং ভোলা খেয়াঘাটের তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে বরগুনার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পাথরঘাটার বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ৩০ সেন্টিমিটার এবং বেতাগীর বিশখালী নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ১৬ সেন্টিমিটার, উমেদপুর কচা নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ১৩ সেন্টিমিটার ও পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এছাড়া বরিশালের কীর্তনখোলা, উজিরপুর স্বরূপকাঠি, গৌরনদী টরকি, বাবুগঞ্জ, ঝালকাঠির বিশখালী, কাইটপাড়া লোহালিয়া, মির্জাগঞ্জের পায়রা, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি, আমতলীর বুড়িশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি ও নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।