টাঙ্গাইলে নতুন করে আরো ৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে তিন জন ভূঞাপুর, একজন মধুপুর ও একজন নাগরপুর উপজেলার বাসিন্দা। এই নিয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭ জনে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   

আক্রান্ত রোগীদের নিজ গ্রাম ভূঞাপুরের শাবলকুড়া ও জিগাতলা, নাগরপুরের খাগুরিয়া এবং মধুপুরের অরনখোলা এলাকা লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, গতকাল রোববার (আইইডিসিআর) এ নয়জনের নমুনা পাঠানো হয়। এর মধ্যে তিনজনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। আক্রান্ত তিনজনই গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বাসিন্দা। 

মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা. রুবিনা আক্তার জানান, রবিবার সকালে (আইইডিসিআর) এ  ৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে একজনের পজেটিভ পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের গোবদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই এলাকায় উপসর্গ দেখার পর থেকেই লকডাউন করা হয়েছে। এখন পরিধি বাড়ানো হবে।

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান খান জানান, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) আটটি নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে একটি পজেটিভ। সে ভাদ্রা ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এলাকা লকডাউন করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান জানান, গতকাল রাতে ঢাকার রোগতন্ত্র, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) থেকে মুঠোফোনে তাকে নতুন ৫ জন আক্রান্তের তথ্য জানানো হয়।  

রোববার এই ৫ জনসহ মোট ৭০ জনের নমুনা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংগ্রহ করে আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছিলো। আক্রান্ত রোগীর পাঁচজনের মধ্যে ভূঞাপুরের শাবলকুড়া একজন ও জিগাতলা দুইজন, মধুপুরের অরনখোলার একজন ও নাগরপুর উপজেলার একজন খাগুরিয়ার  বাসিন্দা। এদের মধ্যে চার জন নারায়ণগঞ্জ ও একজন ঢাকা থেকে ফিরেছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ৮ এপ্রিল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় একজন ও ১০ এপ্রিল ঘাটাইলে একজন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের দুজনকেই ঢাকার বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।  এখন পর্যন্ত জেলায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৭৫৬ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫৩ জন। আইসোলেশনে আছেন ২ জন।