আমরা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

সিলেটে গতকাল স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী সংক্ষিপ্ত সফরে এদিন দুপুরে সিলেটে পৌঁছেন। বিকাল ৪টায় নিজ বাসভবনে স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘সরকার বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য আপৎকালীন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এ পরিস্থিতি বৈশ্বিক বাস্তবতা, বাংলাদেশের জন্য আলাদা কিছু নয়। তাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়সহ সরকার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে তা যথাযথভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে সবাইকে শৃঙ্খলাবোধের পরিচয় দেয়া উচিত।’

তিনি আরো বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টায় পিক আওয়ার শুরু হয়, এ সময়ে দোকানপাট বন্ধ রাখলে আমাদের বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। যা আমরা লম্বা সময় ধরে ব্যবহার করতে পারব।’

জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে অধিকাংশ শিল্প-কারখানা গ্যাস দিয়ে পরিচালিত হয়। যেগুলো গ্যাস দ্বারা পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করেই অন্য হিসাব করা হয়। জ্বালানি মন্ত্রণালয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত রেখেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে খরচের (কনজাম্পশন) কারণে রফতানি কমেছে। আমরা তৈরি পোশাক রফতানি করে থাকি। শুধু বাংলাদেশ থেকে রফতানি কমেনি, প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য দেশের একই হারে কমেছে। এটি বৈশ্বিক বাস্তবতা, বাংলাদেশের জন্য আলাদা কিছু নয়।’

এ সময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।