ঢাকার ধামরাইয়ে এক পোশাক শ্রমিককে হত্যার এক মাস পর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে র্যাব-৪। এ উপলক্ষে সাভারে র্যাব কার্যালয়ে গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে র্যাব-৪-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট রাকিব মাহমুদ খান জানান, ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের কেলিয়া এলাকায় ভুট্টা খেতে গত ৯ জানুয়ারি মমতাজ নামের এক পোশাক শ্রমিকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে অজ্ঞাত আসামিদের নামে ধামরাই থানায় একটি হত্যা মামলা করে নিহতের পরিবার।
পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও মামলাটির রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করে। এর অংশ হিসেবে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকার কালশী এলাকা থেকে গতকাল ভোরে হত্যাকারী শরীফকে গ্রেফতার করে র্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল জব্দ করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের কারণ তুলে ধরে র্যাব কর্মকর্তা রাকিব মাহমুদ খান জানান, নিহত মমতাজ আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে স্থানীয় একটি কারখানায় কাজ করতেন। প্রতিবেশী যুবক শরীফের সঙ্গে তার লেনদেনসংক্রান্ত মনোমালিন্য চলছিল। এর জের ধরেই মমতাজকে হত্যার পরিকল্পনা করে শরীফ। সে অনুযায়ী গত ৯ জানুয়ারি এ পোশাক শ্রমিককে অপহরণ করে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে কেলিয়া এলাকায় ভুট্টা খেতে লাশ ফেলে দিয়ে ঘাতক পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারের পর শরীফকে ধামরাই থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার কাচারীকান্দি পাককিস্তা গ্রামে।










