সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। গতকাল বাজারে মোটা পাইজাম চালের খুচরা মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৪৫-৪৬ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল ৪৮-৫০, মিনিকেট ৬০-৬২ ও নাজিরশাইল চাল ৬৮-৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
চালের মতো ঊর্ধ্বমুখী ছিল সবজির বাজারও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে সবজির দাম কমার কথা থাকলেও লকডাউনের প্রভাবে এবার সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী।
পটোল, কাঁকরোল, ঢেঁড়স, বেগুন, চিচিঙ্গাসহ বেশির ভাগ সবজি বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে এসব সবজি ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। গতকাল প্রতি কেজি করলা ৬০-৭০, টমেটো ও চায়না গাজর ৮০-১০০, লাউ প্রতি পিস ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি আলু ২৫, পেঁয়াজ ৫৫, রসুন (আমদানি) ১৪০, আদা (আমদানি) ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
বাজারে তেলাপিয়া মাছ ১৫০-১৬০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ১২০-১৩০ টাকা। এছাড়া রুই বিক্রি হয়েছে ২৩০-২৮০ টাকা কেজি, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২০০-২৫০ টাকা। মৃগেল বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকা কেজি দরে, যা আগে ছিল ১৬০-১৮০ টাকা। চিংড়ি আগের মতোই ৬০০-৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। পাবদার কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০০-৫০০ টাকা। রূপচাঁদা বিক্রি হয়েছে ৭০০-৮৫০ টাকায়। এ দুটি মাছের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে কিছুটা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গতকাল ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫০ টাকা কেজি। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগি ও লাল লেয়ার মুরগি। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ২৩০-২৪০ টাকা। আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ২০০-২৩০ টাকা। মুরগির পাশাপাশি দাম অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হয়েছে ৫৮০-৬০০ টাকা। আর খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকা।
এদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম কমানোর ঘোষণা দেয়ার পরও বাজারে তার প্রভাব নেই। আগের বাড়তি দামের তেলের বোতলই রয়েছে বেশির ভাগ দোকানে। ফলে ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে দাম কমানোর বিষয়টি। গত সপ্তাহে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে ৪ টাকা কমিয়ে ১৪৯ টাকায় বিক্রির ঘোষণা দিয়েছিলেন মিল মালিকরা। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। খুচরা বাজারে খোলা কেজিপ্রতি সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১২৫ টাকা পর্যন্ত এবং পাম তেল বিক্রি হয়েছে ১১৮ টাকায়।
এছাড়া বাড়তি দামেই বিক্রি হয়েছে মসুর ডাল ও চিনি। কেজিপ্রতি বড় দানার মসুর ডাল ৮০-৯০ ও চিনি ৭০-৭৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।










