আজ সকালে ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলেন জেলে লালচান মিয়া (৪২)। তার জালে উঠে আসে ৩৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে পাওয়া যায় মাছটি।
পরে চিলমারীর মাছ ব্যবসায়ী কমল রায় ৩৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নিয়ে আসেন থানাহাট বাজারে। সেখানে মাছটি দেখতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। পরে দুপুরে চিলমারীর থানাহাট পৌর বাজারে এক হাজার ২শ টাকা কেজি দরে মাছটি কেটে বিক্রি করা হয়। এতে মাছটির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৪২ হাজার টাকা।
মাছ ব্যবসায়ী কমল রায় বলেন, তার বাড়ি চিলমারী উপজেলার ফকিরেরহাট এলাকায়। চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে সোমবার সকালে লালচান মিঞা নামের এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে তার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় মাছটি কিনে আনেন তিনি।
জেলে লালচান মিয়া জানান, এতো বড় মাছ এর আগে কখনই পাননি তিনি। মাছটি ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। এতে আমার খুব উপকার হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কালিপদ রায় জানান, ব্রহ্মপুত্র নদে অনেক বড় বড় মাছ আছে। মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন জাতের বড় বড় মাছ ধরার খবর আসে। এতে বোঝা যায় এ জেলার নদ-নদী এখনও মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রেখেছিল বলেই এখন বড় বড় মাছগুলো পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
ব্রহ্মপুত্রে জাল ফেলতেই উঠে এল ৩৫ কেজির বাঘাইড় মাছ
জেলে লালচান মিয়া জানান, এতো বড় মাছ এর আগে কখনই পাননি তিনি। মাছটি ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। এতে আমার খুব উপকার হয়েছে।
জেলে লালচান মিয়া জানান, এতো বড় মাছ এর আগে কখনই পাননি তিনি। মাছটি ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। এতে আমার খুব উপকার হয়েছে।










