শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে গোটা জাতিকে হত্যা করতে উপস্থিত আসামিদের দ্বিধা ছিল না বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। আজ সোমবার (১৮ নভেম্বর) ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রীসহ ১৩ জনকে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। সেখানেই এ মন্তব্য করেন তাজুল ইসলাম।
আজকের শুনানিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় সাবেক ৯ মন্ত্রীসহ ১৩ জনকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বর্তমানে অন্য মামলায় তারা সবাই কারাগারে রয়েছেন।
শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই জুড়ে চলমান হত্যা-নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট গভীর রাতে ছাত্র-জনতার ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। আন্দোলনে অংশ না নিয়েও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু হত্যার শিকার হয়। শহীদদের লাশ পুড়িয়ে ফেলা হয়। শহীদদের পরিবারের ওপর চাপ দিয়ে দ্রুত লাশ দাফন করানো হয়। একজন শহীদকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। জাদুঘরে স্থান পাওয়া রিকশার চালকের পক্ষ থেকে এসব তথ্য উঠে আসে।










