দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে একদিনেই ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ২২৭ টন কাঁচামরিচ। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে পণ্যটির দাম কমেছে কেজিতে ৭০-৮০ টাকা। একদিন আগেও বন্দরে প্রতি কেজি মরিচ ২০০-২২০ টাকা দরে পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে। এখন দাম কমে ১৩০-১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত ছিল। গতকাল বন্দর দিয়ে ২৫টি ট্রাকে ২২৭ টন মরিচ আমদানি হয়েছে। কাঁচামরিচ একটি পচনশীল দ্রব্য, এজন্য কাস্টমসের প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কাঁচামরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দেশের বাজারে কাঁচামরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে আমদানি অব্যাহত রেখেছেন আমদানিকাররা। তবে দেশে চলমান পরিস্থিতির কারণে ইন্টারনেট না থাকায় আমদানিকারক কাঁচামরিচের এলসি খুলতে পারছিলেন না। সেই সঙ্গে নগদ টাকার অভাবে আমদানীকৃত কাঁচামরিচের শুল্ক পরিশোধ করতে না পারায় আমদানির পরিমাণ কমে গিয়েছিল। এতে চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ কমায় দামও বাড়তির দিকে ছিল। যাদের পুরনো এলসি রয়েছে, সেগুলোর বিপরীতে কাঁচামরিচ আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছেন আমদানিকারকরা। গতকাল থেকে ইন্টারনেট চালু হওয়ায় বন্দর দিয়ে পুনরায় কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ব্যাংক খোলার কারণে আমদানিকারকরা এলসিও খুলতে পারছেন। দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় দামও কমতে শুরু করেছে। তবে কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। এটি কমানো হলে দাম আরো কমে আসবে।’
হিলি স্থলবন্দরে কাঁচামরিচ কিনতে আসা ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘দেশীয় কাঁচামরিচের সরবরাহ না থাকায় বাজারে দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বমুখী। দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হিলি স্থলবন্দর থেকে কাঁচামরিচ কিনে বিভিন্ন মোকামে পাঠাচ্ছি।’










