মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়িতে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যার ঘটনায় উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম হালদারসহ ৯ আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হত্যা মামলার ৯ আসামি মুন্সিগঞ্জ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। এ সময় আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আব্দুল হান্নান আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

 আসামিরা হলেন- টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পরিষদের নব- নির্বাচিত চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম হালদার, তার ছোট ভাই কামারখাড়া ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর হালদার ওরফে খুকু, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবির হালদার, নজরুল ইসলাম হালদার ওরফে নাজির হালদার, রাসেল হালদার, যুবরাজ হালদার, এইচএম বাবর সবুজ হালদার, আবু কাউছার সোহেল ওরফে আবু কাউছার, আনিছ হালদার।

আসামিরা এর আগে উচ্চ আদালত থেকে দুইটি পৃথক আবেদনের প্রেক্ষিতে আগাম জামিন লাভ করে। জামিনের মেয়াদ শেষে বুধবার মুন্সিগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন বলেন, টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোরহাব খান হত্যা মামলায় নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আরিফ হালদারসহ ৯ জন আসামি উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আজ আদালতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ নেতা ও দিঘীরপার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি সোরহাব খানকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ছেলে জনি খানকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ওই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মান্নান খান বাদী হয়ে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী আমলী আদালত ৪-এ পিটিশন মামলা দায়ের করেন।