এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষই উল্লেখ করেন, এ সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সুদৃঢ় হয়েছে, যার ভিত্তি শক্তিশালী হয় জিয়াউর রহমানের সময় থেকে। সময়ের পরিক্রমায় এ সম্পর্ক কৌশলগত সহযোগিতায় রূপ নিয়েছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে তা আরো গভীর হয়েছে।

আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা ও জনসম্পদ উন্নয়নসহ বহুমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় হয়। পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং চীনকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।