সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গতকাল রাঙ্গামাটির এক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, রাঙ্গামাটি জেলা খেলোয়াড় তৈরির অন্যতম এক উর্বর ক্ষেত্র। অতীতেও এ মাটি থেকে অসংখ্য গুণী খেলোয়াড় উঠে এসেছেন। ভবিষ্যতে পার্বত্য অঞ্চল থেকে বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাকাও একজন সফল ক্রীড়াবিদ ছিলেন। যিনি পাকিস্তান আমলেও বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছিলেন। বর্তমানে রূপনা, ঋতুপর্ণা, মনিকা ও আনাই মগিনীরা আমাদের সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে এনেছেন।’
প্রতিটি স্কুলে নিয়মিত সংগীত ও ক্রীড়া চর্চা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের আরো উৎসাহিত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।
একই সঙ্গে তিনি শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি নাজমা আশরাফী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো ছিলেন রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল মনীষ দেওয়ান, সাবেক উপমন্ত্রী মনি স্বপন দেওয়ান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাঙ্গামাটি জেলা আমির অধ্যাপক আব্দুল আলীম, রাঙ্গামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কফিল উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এবং সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।










