ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তী ইউনিয়ন পরিষদের বেশির ভাগ সদস্য চেয়ারম্যান কাজী ছায়িদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন। এক চিঠিতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন তারা।
আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অনাস্থা পত্রে ইউপির ১২ সদস্যের মধ্যে ১০ জন স্বাক্ষর করেন।
স্বাক্ষরদাতারা হলেন মো. সোহাগ ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. এমদাদুল হক, মো. জজ মিয়া, মো. সফিক মিয়া, মো. আসিকুর রহমান, জাহানারা বেগম, পুতুল বেগম, অতসী সাহা ও শেখ সজিব মিয়া।
অভিযোগ পত্রে তারা লেখেন, সব সদস্যদের সমন্বয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম করার নির্দেশনা থাকলেও চেয়ারম্যান ছায়িদুল ইসলাম তোয়াক্কা করছেন না। প্যানেল চেয়ারম্যান থাকলেও বাইরে গেলে তিনি কাউকে দায়িত্ব দেন না। মাসিক সভায় ইউপি সদস্যদের না ডেকে পরিষদের সচিবের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেন। সম্প্রতি ১১ টন গম বরাদ্দ হলে তিনি নিজেদের লোক দিয়ে কমিটি করেন।
আরো বলা হয়, জন্মনিবন্ধন ফি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা, জাতীয় সনদ ফি ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, মৃত্যু সনদ ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা, ওয়ারিশ সনদ ১০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা আদায় করছেন; যা পরিষদের কোনো সিদ্ধান্ত নয়। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এসব বিষয়ে আপত্তি করলে চেয়ারম্যানের লোকজনের হাতে হেনস্থা হতে হচ্ছে ইউপি সদস্যদের।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কাজী ছায়িদুল ইসলাম বলেন, কেন সদস্যরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সেটি তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি নিয়মের বাইরে কিছু করেননি। তার ভুল কোথায় সেটি তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণের কথাও বলেন তিনি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুহুল আমিন এ বিষয়ে বলেন, এ সংক্রান্ত অভিযোগ এলে জেলা প্রশাসক থেকে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালকের অফিসে দায়িত্ব দেয়া হয়।
তবে স্থানীয় সরকারের উপপরিচালকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আস্রাফ আহমেদ রাসেলের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।










