সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে নদীতে টোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলীর আমদানিকারকরা। গতকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কয়লা-চুনাপাথর বিক্রি এবং পরিবহন বন্ধ রেখে প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করছেন ব্যবসায়ীরা। তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের আহ্বানে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বিক্রয় ও পরিবহন বন্ধ থাকায় তিনটি শুল্ক স্টেশনেই সুনসান নীরবতা। অলস সময় পার করছেন সেখানকার শ্রমিকরা।

আজ এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ করার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী শুল্ক স্টেশনের প্রায় ৭০০ আমদানিকারকের চুনাপাথর ও কয়লা পাটলাই নদী দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়। নদীর ডাম্পের বাজার নৌঘাটে বিআইডব্লিউটিএ এবং স্থানীয় তহসিল অফিসের পক্ষ থেকে টোল আদায় করে কিছু লোক। সেখানে নির্ধারিত টোলের চেয়ে বহুগুণ বেশি টাকা আদায় করা হয়।

তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি আলকাছ উদ্দিন খন্দকার জানান, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে শুল্ক স্টেশনে ক্রেতা কমছে। পরিবহনের নৌকাও এ পথে আসতে চায় না। উপায় না পেয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিক্রয় ও পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুপ্রভাত জানান, বিআইডব্লিউটিএ ও তহসিলকে বলা হয়েছে বিধি অনুযায়ী টোল আদায় করতে। অন্যায়ভাবে কারো কাছ থেকে টাকা নেয়া যাবে না।