ঝিনাইদহে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে শহরের উজির আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে সকালে বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সে সময় শহরের পায়রা চত্ত্বর এলাকা থেকে ছাত্রলীগের একটি মিছিল লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি, রড দিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর করে ব্যানার কেড়ে নেন। মাইক ভাঙচুর করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে মিছিল সহকারে ফিরে যায়। হামলায় কমপক্ষে ১০ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব ও সাধারণ সম্পাদক আল ইমরানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কল রিসিভ করেননি।

কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আবু হুরায়রা জানান, কোটাবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে সকালে শহরের উজির আলী স্কুল মাঠে শিক্ষার্থীরা জড়ো হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা নিরীহ শিক্ষার্থী। আমাদের ওপর এমন বর্বর হামলা করা হয়েছে। আমাদের ৮/১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়াকে মোবাইলে কল দেয়া হলে তিনি কল রিসিভ করেননি।