রংপুর
সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করতে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এছাড়া করপোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডে
কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে নির্বাচনে অংশ নিতে চান ১৯৮ জন। আজ মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরে
সংবাদ সম্মেলন করেন এ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।
তিনি জানান,রংপুর সিটি নির্বাচনে
মেয়র পদে ১০ জন,সংরক্ষিত নারী আসনের
কাউন্সিলর পদে ৬৯ জন ও ৩৩টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৯৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা
দিয়েছেন।
নির্বাচনকে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে যা দরকার তার সব
করা হবে জানিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, এ নির্বাচনে সব ভোট ইভিএমের মাধ্যমে
গ্রহণ করা হবে। মেয়রসহ সব প্রার্থীকে নির্বাচনের আচরনবিধি মেনে চলার আহ্বানও জানান
তিনি।
মনোনয়নপত্র জমা দেয়াকে
কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার
কার্যালয়ের সামনে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে প্রার্থীরা
শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী
হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া। জাসদের (ইনু) প্রার্থী
হিসেবে শফিয়ার রহমান, ইসলামী আন্দোলন
বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান, খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর
রহমান মন্ডল, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির আবু রায়হান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া মেয়র পদে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সেচ্ছাসেবক লীগের
রংপুর মহানগর সভাপতি আতাউজামান বাবু, রংপুর মহানগর কোতয়ালী
থানার আওয়ামী লীগের সহসভাপতি লতিফুর রহমান মিলন এবং মেহেদী
হাসান।
৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে ২০১২ সালের
২৮ জুন রংপুর সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। এরপর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ওই বছরের
২০ ডিসেম্বর। এতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু প্রথম মেয়র
নির্বাচিত হন। ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী
হিসেবে মোস্তাফিজার রহমান মেয়র নির্বাচিত হন। এ সময় ভোটার ছিল ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪
জন। এবার ভোটার বেড়ে হয়েছে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ জন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ৭ ডিসেম্বর। তবে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীতা প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৯ ডিসেম্বর।
আগামী ২৭
ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ চলবে। সবগুলো ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।










