চট্টগ্রাম টেস্টে শ্রীলংকার
৫৩১ রানের জবাবে আজ সোমবার প্রথম ইনিংসে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। সিংহলিজরা প্রথম
ইনিংসে ৩৫৩ রানের বিশাল লিড পায়। যদিও তারা বাংলাদেশকে ফলো-অন না করিয়ে আবার ব্যাটিংয়ে
নামে। এটুকু সুযোগই দারুণভাবে কাজে লাগালেন বাংলাদেশের বোলাররা। হাসান মাহমুদ ও খালেদ
আহমেদের পেস তোপে ৮৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছে সিংহলিজরা। এরপরও হারের শঙ্কায় স্বাগতিকরা।
কেননা এরই মধ্যে লংকানদের লিড ছাড়িয়েছে সাড়ে চারশ (৪৫৫)।
শ্রীলংকা ১৫৯ ওভার ব্যাট
করলেও স্বাগতিকদের ইনিংসের আয়ু ছিল মোটে ৬৮.৪ ওভার। দ্বিতীয় দিন ১৫ ওভার এবং গতকাল
দুই সেশনে ৪৩.৪ ওভার ব্যাট করতে পেরেছে বাংলাদেশ। জাকির হাসান ৫৪ ও মুমিনুল হক ৩৩ রান
করেন। আসিথা ফার্নান্দো ৩৪ রানে চারটি উইকেট নেন।
এরপর হাসান মাহমুদ ও খালেদ
আহমেদের আগুণ ঝরানো বোলিংয়ের মুখে ৮৯ রানে ৬ উইকেটের পতন ঘটে লংকানদের। দিনশেষে স্কোর
১০২/৬। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ৩৯ ও প্রবথ জয়সুরিয়া ৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
সকালে নাইটওয়াচম্যান তাইজুল
ইসলামকে নিয়ে সকালে এক ঘণ্টারও বেশি সময় উইকেটে কাটিয়ে দেন জাকির হাসান। সকালে ১ উইকেটে
৫৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা এই দুজন ৯৬ রানে বিচ্ছিন্ন হন। এরপরের ৯ রানের মধ্যে নেই
আরো দুই উইকেট। সব মিলে ৪ উইকেটে ১১৫ রান তুলে তৃতীয় দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যায়
বাংলাদেশ। পরের সেশনে অলআউট! ২৭.৪ ওভারে ৬৩ রান তুলে বাকি ৬ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
সিলেট টেস্টের পর চট্টগ্রামেও
ব্যাটিংয়ে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষে এই ব্যর্থতার কারণ জানতে চাইলে
বাংলাদেশের টপ স্কোরার জাকির সরাসরি বলেন, ‘কারণটা আর কী বলব, আমরা টোটালি ফেল করেছি।
কেউ পটেনশিয়াল অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারিনি। আমার কাছে মনে হয় যে রোলটা আমরা পালন করতে
পারিনি। ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে আমাদের যেমন খেলার কথা ছিল, হয়তো আমরা ও রকম খেলতে পারিনি।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর
শ্রীলংকা: ৫৩১ ও ১০২/৬
(ম্যাথুজ ৩৯*, মাদুস্কা ৩৪; হাসান ৪/৫১, খালেদ ২/২৯)। বাংলাদেশ: ১৭৮ (জাকির ৫৪, মুমিনুল
৩৩; আসিথা ৪/৩৪)। —তৃতীয় দিন শেষে










