এবার ঈদে লম্বা ছুটি পেয়েছেন কর্মজীবীরা। ছুটি কাটাতে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই ছুটছেন দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতেও বেড়েছে পর্যটকের ভিড়। খালি নেই হোটেল-মোটেলের কক্ষ। বিক্রি বেড়েছে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোয়।
গঙ্গামতি, ঝাউবাগান, শুঁটকিপল্লী ও লেম্বুর বনসহ সব স্পটেই রয়েছে পর্যটকদের উপস্থিতি। অনেকেই সৈকতের বালিয়াড়িতে সাঁতার কাটছেন। কেউবা সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত ঘুরে দেখছেন। অনেকে বেঞ্চে নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
ঢাকা থেকে আসা সালমা-হাবিব দম্পতি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই আসি কুয়াকাটায়। সমুদ্রের ধারে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্ত দেখা—এটা আমাদের কাছে কখনো পুরনো হয় না। এখানকার পরিবেশ মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।’
খাবার হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মো. কালিম বলেন, ‘এখানে সব হোটেলের মান আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। খাবারের দামও সস্তা।’
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পর্যটক বেড়েছে। এভাবে পর্যটকের আগমন ঘটলে আমরা বিগত দিনের লোকসান পুষিয়ে নেয়া যাবে।’
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোতালেব শরীফ বলেন, ‘আমাদের প্রায় সব হোটেলের রুম বুকিং রয়েছে।’
পর্যটকদের নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে প্রশাসনের সদস্যরাও। ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সৈকতের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি থানা, নৌ ও ডিবি পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে। পর্যটকরা নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে আনন্দ উপভোগ করতে পারছেন।’
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, ‘ঈদুল আজহার ছুটিতে প্রচুর পর্যটক আসছে। সামনের দিনগুলোতে আরো পর্যটক বাড়েবে। কুয়াকাটা পৌর প্রশাসন পর্যটকদের সেবায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত। এর সঙ্গে ট্যুরিস্ট ও থানা পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনও প্রস্তুত রয়েছে।’










