সরকার অনুমোদিত
দেশী ও বিদেশী টেলিভিশন চ্যানেলের ফিড কেবলমাত্র বৈধ ক্যাবল ও ডিটিএইচ অপারেটররা গ্রাহকের
কাছে পৌঁছাতে পারবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
তিনি বলেন, তাদের বাইরে অন্য কেউ এ কাজ করলে তা বেআইনি ও অবৈধ। এ বেআইনি কাজ বন্ধে
সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
মঙ্গলবার
(২ এপ্রিল) বিকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ
ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দেশী-বিদেশী টেলিভিশন চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচার
বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত এক সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
ডাক, টেলিযোগাযোগ
ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব
মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান
মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বিদেশী চ্যানেলের অবৈধ সম্প্রচারের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে যে ক্লিনফিডের ব্যবস্থা করা
হয়েছে তা বাস্তবায়ন ব্যাহত হয়। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ সংক্রান্ত আইনের বাস্তবায়ন
করা হবে। যারা অবৈধ সেট টপ বক্সের মাধ্যমে অবৈধভাবে চ্যানেলগুলো দেখাচ্ছে, ক্লিনফিডের
ব্যবস্থা না করে ইচ্ছেমতো বিজ্ঞাপনসহ চ্যানেল দেখাচ্ছে, তাদের কারণে বাংলাদেশের সরকার
ও জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
ও বিটিআরসির মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ
ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ সময় বলেন, অবৈধ সেট টপ বক্স যেগুলো
বাজারজাত করা হচ্ছে এবং আমদানি করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ
কমিশন অভিযান আরো জোরদার করবে। আমরা একটা কঠোর বার্তা দিতে চাই যেন কেউ কোনোভাবে সেট
টপ বক্স অবৈধভাবে আমদানি না করে এবং সেটা বাজারজাত না করে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা স্বার্থে,
রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির স্বার্থে, বিদেশে অর্থ পাচার রোধে এবং আমাদের শিল্প, সাহিত্য,
সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের উদ্দেশে আমরা এ অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে
যাচ্ছি।










