একই সময়ে ডেঙ্গুতে দুজনের মৃত্যু এবং ২২০ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
হামের উপসর্গে যে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে তারা সবাই ঢাকার। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৫৮৭ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮০।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৯২ হাজার ৭৯০ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে ১১ হাজার ১১ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ দেখা দেয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৮০১। এর মধ্যে ৭৬ হাজার ৮৫৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে ৭২ হাজার ৮৪৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া দুজনই নারী। তাদের একজন বরিশাল বিভাগে এবং অন্যজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার। আর চলতি বছর মশাবাহিত এ রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে নয়।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২২০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৯০০ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৫ জনসহ এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪ হাজার ৫৬৮ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৪ জন বরিশাল বিভাগের। এরপর খুলনা বিভাগে ৫২, ঢাকা মহানগরের বাইরে ৪৪, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ২৯, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬, সিলেট বিভাগে চার ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন ভর্তি হয়েছে।










