পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের (ল্যান্ড কমিশন) পঞ্চমতম চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম ভবনের শাখা অফিসে গতকাল  অফিস করেছেন। এ সময় শাখা অফিসের চেয়ারম্যানের কক্ষে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা, ল্যান্ড কমিশনের যুগ্মসচিব মো. নেজাম উদ্দিন প্রমুখ।

কমিশনের চেয়ারম্যান নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের জানান, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আবেদনের শুনানি করতেই একটি সার্ভে করার জন্য এসেছি। আমি রাঙ্গামাটিতে যাব। সংশ্লিষ্টদের সাজেশন নেব। বান্দরবানের স্থানীয়দের কথা শুনলাম। সার্ভে অনেকদিন পর তো, গ্যাপ পড়ে গেছে। এখন এটাকে কীভাবে পুনরায় জীবিত করা যায়, এ কাজে আমরা কতদূর এগিয়ে যেতে পারি বিষয়গুলো দেখব। পরবর্তী মিটিং কবে হবে, তা বলতে পারছি না জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে দেখছি।

তিনি বলেন, আমরা মাঠে নামতে পারছি না। মাঠে নামলে কমিশনের কাজে দুই পক্ষকেই সহায়তা করতে হবে। এককভাবে আমার করণীয় কিছু নাই। যারা অভিযোগ দাখিল করেছে তারা এক পক্ষ, আর প্রতিপক্ষ, ওখানেই (অভিযোগপত্রে) লেখা আছে কারা প্রতিপক্ষ। বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে সদস্য আছে। ওনাদের সবার সঙ্গে কথা বলে করণীয় ঠিক করা হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ল্যান্ড কমিশনে সদস্য বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটাতে আমার করণীয় কিছু নেই। আমি ইচ্ছা করলে বাড়াতেও পারব না, কমাতেও পারব না। আইনে নির্ধারণ করা আছে। এতদিন ধরে যেকোনো সমস্যা যদি জিইয়ে রাখেন সেটি কি সুফল দেয়। এতে জটিলতা আরো সৃষ্টি হয়। আজকে ২০-২৫ আমরা কিছুই করতে পারলাম না। এটা আমাদের ব্যর্থতা। না পক্ষদ্বয়ের অসহযোগিতা, এটা আপনারা দেখেন।