কম মূল্যে চাল ও আট কিনতে ফরিদপুরের টেপাখোলা বাজারে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, পৌর এলাকায় নির্ধারিত কিছু ওয়ার্ডে ডিলাররা ৩০ টাকা দরে পাঁচ কেজি করে চাল ও ২৪ টাকা দরে তিন কেজি আটা ১৬৮ জনকে দেয়া হয়।
চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষেরা ভোর ৫টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে যান। আজ শুক্রবারও (২০ জানুয়ারি) টেপাখোলা বাজারে জলিল মীর ডিলারের দোকানের সামনে নারী-পুরুষদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত এই চাল ও আটা দেয়ার নিয়ম থাকলেও দুই-এক ঘণ্টার মধ্যেই সরবরাহ শেষ হয়ে যায়। এতে অনেকে পান, আবার অনেকেই না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যান।
তেমনই একজন হাজেরা বেগম জানান, আমি দীর্ঘ ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে কিছুই পাই নাই, তার আগেই সব শেষ, বিক্রি হয়ে গেছে।
রিকশাচালক আমজাদ জানান, চাল নিতে আসলে সারা দিনের কাজ বন্ধ থাকে, আবার কাজে চলে গেলে এদিক এসে চাল, আটা পাই না। অনেকেই ফজরের নামাজের পরে এসে দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে, তারপরও অনেককে খালি হাতে ফিরতে হয়।
মর্জিনা নামে এক বৃদ্ধা জানান, আমরা বাসা বাড়িতে কাজ করি। এমন সময় আটা, চাল দেয় তখন আমাদের বাসা বাড়িতে বা ইট ভাটায় গিয়ে কাজ করতে হয়। এ ধরনের সমস্যার জন্য আমরা সময় মতো আসতে পারি না। আসলেও দীর্ঘ লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
রাজ্জাক, কামাল, হাজেরা বেগম, সুফিয়া খাতুনসহ কয়েকজন বলছিলেন, আমাদের দাবি সরকার যেন বিকেলের দিকে চাল ও আটা দেয়ার ব্যবস্থা করে, যেন আমরা কাজ শেষ করে এসে নিতে পারি।










