আলীপুর–মহিপুর এলাকায় অন্তত ৩০টি বরফকল রয়েছে। এর মধ্যে কোনো কোনো কল প্রতিদিন ২০-২৫ ক্যান, আবার কোনো কোনোটি ২০০ ক্যান পর্যন্ত বরফ উৎপাদন করে। কিন্তু গত তিন দিন বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় সহস্রাধিক ট্রলার খাপড়াভাঙ্গার খালসহ বিভিন্ন খালে আশ্রয় নিয়েছে। এসব ট্রলারের মাছ সংরক্ষণ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের জন্য স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত বরফ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ব্যবসায়ীরা খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী থেকে অতিরিক্ত দামে বরফ আনছেন।

জেলে আমিনুর ইসলাম জানান, তাদের ট্রলারসহ অনেক জেলে বরফের অভাবে সাগরে যেতে পারছেন না।
আলীপুর–মহিপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সাবেক সভাপতি মো. ফজলু গাজী বলেন, ‘আবহাওয়া খারাপ থাকায় হঠাৎ শত শত ট্রলার ঘাটে নোঙর করায় বরফের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে বেশি দামে বরফ বিক্রি হচ্ছে।’

মহিপুর রিফাত ফিস-এর মালিক মো. গোলাম মোস্তাফা বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে প্রয়োজনীয় বরফ তৈরি করা যাচ্ছে না, ফলে এ সংকট দেখা দিয়েছে।

তবে কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো. সিফাতুল্লাহ বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংকটে বরফ উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে—এমন তথ্য আমার কাছে নেই। বরফকল মালিকরা কোনো অভিযোগও জানাননি।’