নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে একটি দল দেশজুড়ে টাকা দিয়ে ভোট কেনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, আপনারা সবাই জানেন, কীভাবে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার আইডি, বিকাশ, নগদ ও রকেট নম্বর সংগ্রহ করে অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। খবর বিবিসি বাংলা।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, খোদ দলীয় প্রধানের আসন ঢাকা-১৫ তে তার জন্য দাঁড়িপাল্লার ভোট চাইতে দলটির অন্যতম শীর্ষ আইনজীবী নেতা যেভাবে প্রকাশ্যে টাকা দিয়েছেন এবং ভোট কেনার চেষ্টা করেছেন, সেই ভিডিও এরই মধ্যে দেশব্যাপী ভাইরাল হয়ে তুমুল সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্রের দাবি, নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন করে প্রচারণার সময় মানুষকে, এমনকি শিশুদেরও অর্থ দিয়ে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। যে দলটি প্রতিনিয়ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে, তারাই যদি ভোটের মাঠে, দুর্নীতির মাধ্যমে, টাকা ছড়িয়ে, দলীয় প্রধানের আসনসহ দেশব্যাপী এভাবেই জনগণের ভোট কিনতে চায়, তাহলে এর চেয়ে বড় দ্বিচারিতা ও নৈতিকতার লঙ্ঘন আর কী হতে পারে? এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির কর্মীদের ওপর হামলারও অভিযোগ করেছে দলটি।
মাহ্দী আমিনের বিবৃতিতে বলা হয়, কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রামে ওই দলের সন্ত্রাসীরা রাতের আঁধারে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এ ছাড়া বগুড়া-৪ আসনের নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪নং থালতামাঝ গ্রামে গতকাল রাতে উক্ত দলের সাজাপ্রাপ্ত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী কর্মীদের দ্বারা স্থানীয় বিএনপির নেতাদের ওপর হামলা চালানো হয়, অনেকেই গুরুতর আহত হন এবং তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়, যা জনমনে চরম ভীতি সৃষ্টি করেছে।
প্রতিটি ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন তথা রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বিএনপি।















